২৪ ঘণ্টায় ৪৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৩৬

ইত্তেহাদ ডেস্ক

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪৭ জন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ জনের মৃত্যুর খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত এক মাসের মধ্যে এটা সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে গত ৯ মে ৫৬ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল অধিদফতর। সর্বশেষ মৃত ৪৭ জনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১৩ হাজার ১১৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪৩৬ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন আট লাখ ২৬ হাজার ৯২২ জন। গতকাল শনাক্ত হয়েছিলেন এক হাজার ৬৩৭ জন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ২৪২ জন। তাদের নিয়ে করোনা থেকে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন সাত লাখ ৬৬ হাজার ২৬৬ জন।

রবিবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৯ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৬ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৯ শতাংশ।

গেলো ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৪৭৬টি। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮ হাজার ৭৪৯টি নমুনা। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬১ লাখ ৬৫ হাজার ১১২টি। তার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৪১১টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ লাখ ৭১ হাজার ৭০১টি।

দেশে বর্তমানে ৫১০টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এরমধ্যে আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে হচ্ছে ১৩২টি পরীক্ষাগারে, জিন এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে ৪৬টি পরীক্ষাগারে এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ৩৩৪টি পরীক্ষাগারে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৪৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৩২ জন আর নারী ১৫ জন। দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেছেন ৯ হাজার ৪৩৮ জন আর নারী তিন হাজার ৬৮০ জন।

মারা যাওয়া ৪৮ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব আছেন ৩৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন ৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে আছেন ৫ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন একজন।

মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯ জন, রাজশাহী বিভাগের ৬ জন, খুলনা বিভাগের ৮ জন, বরিশাল বিভাগের ১ একজন, রংপুর বিভাগের আছেন ৪ জন এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন দুই জন করে। এই ৪৭ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৩২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৩ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন ২ জন।