স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা উচিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

নিজস্ব প্রতিনিধি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যে কর্মদক্ষতা বেড়েছে তাতে আমাদের সবার উচিত তাদের প্রশংসা করা।

শনিবার (৩১ জুলাই) বিকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাপানের উপহারের অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান গ্রহণ শেষে একথা জানান মন্ত্রী।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জাপানকে এই টিকা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই। এটি সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় তারা আমাদেরকে দিয়েছেন। আমার সৌভাগ্য হয়েছে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করার এবং তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন আমাদের অনুরোধ তারা রাখবেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এবং উপদেশে আমরা, আমাদের কলিগরা, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী- আমরা সবাই মিলে একযোগে কাজ করি। যার ফলে করোনার কারণে নানাবিধ সমস্যা আসে এবং আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করি। আমরা অত্যন্ত সাফল্যজনকভাবে মোকাবিলা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, দুনিয়ার কোথাও শুনেছেন যে এক সপ্তাহে এক কোটির বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে? এটা কিন্তু মুখের কথা নয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর মিলে প্রতি সপ্তাহে এক কোটি টিকা দেবে। আমাদের টিকার অভাব আর নেই। সরবরাহ ঠিক আছে। সপ্তাহে এক কোটি করে দিলে দুই মাসে অর্ধেক জনগোষ্ঠীর টিকা দেওয়া হয়ে যাচ্ছে। অনেক পণ্ডিত নেতিবাচক লোকেরা বলে পাঁচ-ছয় বছর লাগবে। দুই মাসের মধ্যে অর্ধেক হয়ে যাবে। এই যে কর্মদক্ষতা, তার জন্য আমাদের সবাইকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা উচিত। তার অত্যন্ত চমৎকার কাজ করছে।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, পৃথিবীর খুব কম দেশেই এরকম অবস্থা আছে। আমাদের দেশে অনেকই অনেক নেতিবাচক কথা বলে কিন্তু কর্মদক্ষতা যে কত উপরে ওঠেছে সেটা দেখে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনা মোকাবিলায় প্রত্যেকের নিজস্ব দায়িত্ব আছে। নিজের জন্য, আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর জন্য, দেশের জন্য হলেও তাকে সুরক্ষা নিতে হবে। প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরতে হবে। আমি নিজেও মাস্ক পরতাম না, এখন পরি। সবার তাগিদে যদি তা পালন করা হয় তাহলে হাসপাতালে লোকের ভিড় হবে না। আর আমরা সারাদেশকে হাসপাতাল বানাতে পারবো না।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতোসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।