মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
১২ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল,
২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ,
মঙ্গলবার, বিকাল ৫:২১
বাড়ি জাতীয় সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে করোনা নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক

সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে করোনা নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিনিধি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বুধবার- সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বুধবার- সংগৃহীত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আমন্ত্রিত অতিথিদের করোনা নেগেটিভ সনদ সঙ্গে থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে করোনাজনিত স্বাস্থ্যবিধিও অনুসরণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে থাকবে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ধানমন্ডিতে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময়ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

বুধবার সচিবালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত নিরাপত্তাবিষয়ক উপকমিটির সভার পর আহ্বায়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আগামী ১৭ থেকে ২৬ মার্চ ১০ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠান চলবে। এতে চারজন রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান অংশ নেবেন। নিরাপত্তা বিষয়ক উপকমিটি অনুষ্ঠানস্থলে নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। করোনা নেগেটিভ সনদ সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে যেতে হবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিদেশি রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা ঢাকার বাইরে যেসব স্থান বা অনুষ্ঠানে যাবেন সেখানেও গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয় করার জন্য একটি কন্ট্রোল রুম থাকবে। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি রোধে প্রয়োজনে ৯৯৯ সেবা সার্ভিস সব সময় চালু থাকবে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্যসচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, অনুষ্ঠানে বড় ধরনের জনসমাগম করা হবে না। সারা পৃথিবীর মানুষ যাতে দেখতে পারে সেজন্য পুরো অনুষ্ঠান সম্প্র্রচার করা হবে।

কামাল চৌধুরী বলেন, ‘বিভিন্ন সেক্টরে ৫০০-এর মতো মানুষকে আমন্ত্রণ করা হবে। যারা দাওয়াত পাবেন তাদের প্রত্যেককে বাধ্যতামূলক কভিট টেস্ট করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিশিষ্টজন ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত হবেন। ১০ দিনের অনুষ্ঠান ফিজিক্যালি হচ্ছে চার দিন।