সুতার দাম নিয়ে সমঝোতা বস্ত্রকল ও পোশাকশিল্প মালিকদের

বিশেষ প্রতিনিধি

সুতার দাম নিয়ে আপাতত সমঝোতা হয়েছে বস্ত্রকল ও পোশাকশিল্প মালিকদের মধ্যে। পোশাক খাতের সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত ৩০ সিঙ্গেল কার্ডের প্রতি কেজি সুতার সর্বোচ্চ দাম হবে চার ডলার ২০ সেন্ট (৩৫৭ টাকা)। এর ফলে যেসব স্পিনিং মিলের চেয়ে কিছুটা বেশি দামে সুতা বিক্রি করছে, তাদের কমাতে হবে। অবশ্য আন্তর্জাতিক বাজারে তুলার দামের ইনডেক্স ১০০ ছাড়িয়ে গেলে সুতার দাম আবার বাড়বে। আর ইনডেক্স যদি ৮৫ বা তার নিচে নামে তাহলে সুতার দাম কমবে। কয়েক দিন ধরে তুলার দামের ইনডেক্স ৯৩ থেকে ৯৬-এর মধ্যে রয়েছে।

সুতার দাম নিয়ে শনিবার রাতে রাজধানীর বনানীর একটি রেস্টুরেন্টে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর নেতাদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান, সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সুতার দাম নিয়ে কয়েকটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিন পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ভবিষ্যতে তুলার দাম হ্রাস-বৃদ্ধি হলে তিন সংগঠনের নেতারা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা যায়। আপাতত সুতার দাম চার ডলার ২০ সেন্ট রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাতে যারা একটু বেশি দামে সুতা বিক্রি করছিল, তাদের সামান্য কমাতে হবে। আর যাদের সুতার দাম চার ডলার ২০ সেন্ট ছিল, তারা একই রকম রাখবে।