সব পণ্যের দামই ঊর্ধ্বমুখী, মধ্যবিত্তের মাথায় হাত

messenger sharing buttontwitter sharing buttonsharethis sharing buttonডেস্ক রিপোর্ট

বাজার এমন কোন পণ্য নেই যার দাম গত এক সপ্তাহে বাড়েনি। বাজর ঘুরে বাড়তি দাম দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে মধ্যবিত্তের মাথায় হাত পড়েছে। রমজান শুরু হওয়ার আগেই অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছে তেল, মুরগি, পিঁয়াজসহ সব ধরনের সবজির দাম। এমনকি ফলের দামও বেড়েছে।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) বিকেলে নিউমার্কেট কাঁচাবাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৬০ থেকে বেড়ে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। সোনালি জাতের মুরগির দাম হয়েছে ৩৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১০০ টাকা বেশি। দেশি মুরগি আকৃতিভেদে ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। বাজারে হঠাৎ করে মাংসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই দাম বৃদ্ধি বলে জানা গেছে। তবে ক্রেতারা বলছেন, আমরা নিয়মিত যেমন বাজার করি এখনো তেমনটাই করছি। বিক্রেতারা মিথ্যা বলছেন।

এদিকে গরুর মাংসের কেজি ৫৮০-৬০০ টাকা ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ হাজার টাকায়। চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চালের দাম কমতি-বাড়তির মধ্যে ঘুরছে। আজকে যে চাল ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, কালকে সেটি হচ্ছে ৬৩ টাকা। এর পরের দিন আবার ৬২ টাকা। আজকের বাজারে কাটারি নাজির বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৭ টাকায়। মিনিকেট ৬৪ টাকা, আটাশ চাল ৫০ টাকা। মোটা চাল পাওয়া যাচ্ছে ৪৬-৪৭ টাকায়। বিক্রেতারা বলছে, চালের বাজার অস্থিরতার মাধ্যমে এখন কিছুটা কমছে, তবে এই সপ্তাহে আবারও বাড়তে পারে।

এই সপ্তাহে বেড়েছে সবজির দামও। ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০-৪৫ টাকায় দাম উঠছে। এই সবজিটির যোগান কমে এসেছে বাজারে। বেগুন মানভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, মরিচ ৬০ টাকা, আলু ২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, সজনে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় রসুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১০০-১০৫ টাকা দামে, ছোলা বুট বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দামে। এই সময়ে লেবুর দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। আকার ও অঞ্চল ভেদে বাজারে আসা লেবু ৫০ টাকা হালি থেকে ১০০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে।

নবাবগঞ্জ মাছ বাজারে রুই বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩০০-৩৫০ টাকা, বড় কাতল ৩৫০-৪০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। বাইম মাছ ৪০০-৬০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, বোয়াল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং শোল মাছ ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করছে। সামুদ্রিক মাছের মধ্যে টুনা ২২০ থেকে ২৪০ টাকা ও সামুদ্রিক মাছ স্যামন বা তাইল্ল্যা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ম্যাকারেল ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ভোজ্য তেলের মধ্যে সয়াবিন প্রতি লিটার ১৩৫-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা সরিষার তেল ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, আমদানি করা অলিভ অয়েল ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও খোলা তিলের তেল ৬০০ টাকা, ঘি ১০০০ টাকা, মাখন ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। সূত্র সারাবাংলা ডট নেট