লকডাউনে আত্রাইয়ে মুরগি খামারিদের লোকসান

আত্রাই (নওগাঁ) উপজেলার তারাটিয়া গ্রামের আব্দুস সবুরের মুরগির খামার

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি

আত্রাইয়ে লকডাউনের প্রভাবে মুরগি খামারিদের চরম লোকসান গুণতে হচ্ছে। একদিকে কোরবানীর ঈদ অন্যদিকে লকডাউনের কারণে খামারিদের মুরগি বিক্রি হচ্ছে না।
জানা যায়, লকডাউনের পূর্বে সোনালী মুরগি ২২০ থেকে ২৪০ টাকা এবং বয়লার মুরগি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি পাইকারী বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে লকডাউনের প্রভাবে সেই সোনালী মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা এবং বয়লার মুরগি ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজি পাইকারী বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার তারাটিয়া গ্রামের মুরগি খামারি আব্দুস সবুর বলেন, তার খামারে প্রায় তিন হাজার মুরগি উৎপাদন হয়ে থাকে। মুরগিগুলো বিক্রির উপযোগী হলেও লকডাউনের কারনে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজারে মুরগির দাম কম। অথচ তাদের খাদ্য সামগ্রীর দাম ও শ্রমিক মজুরী অনেক বেশি। তাই বেশি খরচে মুরগি উৎপাদন করে কম মূল্যে এগুলো বিক্রি করে আমাকে অনেক লোকসান গুণতে হচ্ছে। ক্রমাগত লোকসানের কারনে তার তিন খামারের মধ্যে ইতোমধ্যেই দুইটি খামার বন্ধ হয়ে গেছে।
সাহেবগঞ্জ বাজারের মুরগি বিক্রেতা নাজমুল হক নিরব বলেন, আগে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মুরগি বেচাকেনা হতো। এখন লকডাউনে মুরগির বাজারে ধস নেমে এসেছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৫/৬ হাজার টাকা বেচাকেনা করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। ফলে পরিবার পরিজন নিয়েও আমাদের অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।