রুপকল্প ২০৪১ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ —–হুইপ আবু সাঈদ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

বর্তমান সরকারের রুপকল্প ২০৪১ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’’ রুপকল্প ২০৪১: উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’’ শীর্ষক এক সেমিনারে অংশ নিয়ে এ কথা বলেছেন, জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানিয় সার্কিট হাউস মাঠে অনুষ্ঠিত দু’দিন ব্যাপী কর্মসূচী আজ রবিবার শেষ দিনে ’’ রুপকল্প ২০৪১: উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় । সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মনিরুজ্জামান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের ফলে বালাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো: শরীফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম সোলায়মান আলী, পৌরসভার মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, কালাই উপজেলা চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান মিলন, পৌরসভার মেয়র রাবেয়া সুলতানা, ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাকিম মন্ডল, পৌরসভার মেয়র সিরাজুল ইসলাম বুলু, এ্যাড: মোমিন আহমেদ চৌধুরী জিপি, এ্যাড: নৃপেন্দ্র নাথ মন্ডল পিপি, মোল্লা সামছুল আলম, গোলাম হক্কানী প্রমুখ।
স্বাধীনতার পর যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ভঙ্গুর অর্থনীতিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে মাত্র সাড়ে তিন বছরে একটি ক্রমবর্ধমান উন্নয়নশীল অর্থনীতির দিকে ধাবিত করেন। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসাধারণ নেতৃত্বে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী তে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। এই অনন্য অর্জন উদযাপনে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন ২৭ ও ২৮ মার্চ দু’দিনব্যাপী কর্মসূচী গ্রহন করে। সার্কিট হাউস মাঠে জেলার বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে ৭৫ টি স্টল স্থাপন করা হয়। সেই সঙ্গে আয়োজন করা হয় মুজিববর্ষ উপলক্ষে সেরা কন্ঠ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।