মোরেলগঞ্জে যাচাই-বাছাই অনিয়মের প্রতিবাদে ৬১ বীর মুক্তিযোদ্ধার সাংবাদিক সম্মেলন

মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট) প্রতিনিধি

প্রহসনমূলক যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিবাদে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৬১ বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুনিরুজ্জামান হাওলাদার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। এরপরও মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের নামে জামুকা নীতিমালা উপেক্ষা করে লাল মুক্তিবার্তা, ভারতীয় তালিকা, গেজেটভুক্ত , মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সমায়িক সনদপত্রধারী মুক্তিযোদ্ধাদের না সূচক মন্তব্য দেয়া হয়েছে। এতে করে যাচাই-বাছাই কমিটির কার্যক্রম এখন অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। যাচাই-বাছাই কমিটি উদ্দেশ্যেমূলকভাবে তাদের খ ও গ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ যাচাই-বাছাই কমিটিতে যাকে সভাপতি করা হয়েছে প্রকৃতপক্ষে তাকে নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গত ১২ ও ১৩ই ফেব্রুয়ারি স্থানীয় ১১১ জন মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষী ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। সে সময় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি অনুপস্থিত ছিলেন। ওই যাচাই-বাছাই কমিটিতে এমপি’র মনোনীত সদস্য ছিলেন মো. শাহ আলম হাওলাদার। ২০০৪ সালের যাচাই-বাছাইয়ে অনেককে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাক্ষ্য দিলেও সর্বশেষ যাচাই-বাছাইয়ে তাদেরকেই আবার ‘মুক্তিযোদ্ধা নয়’ বলে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, সকল যাচাই-বাছাই নীতিমালা অনুযায়ী হয়েছে। অতীতে কোন ভুল হয়ে থাকতে পারে এবার বোর্ড বসিয়ে তা সংশোধন করা হয়েছে।