পশ্চিমের জেলাগুলোতে শীতকালীন সবজির দাম চড়া

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

পশ্চিমের জেলাগুলোর হাট বাজার এখন শীতকালীন সবজিতে ভরপুর। পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে দাম চড়া। এছাড়াও অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সুত্রে জানা যায়, এবার যশোর জেলায় ১৬ হাজার ৭৩০ হেক্টর, ঝিনাইদহ জেলায় ১৩ হাজার ১০০ হেক্টর, মাগুরা জেলায় ৩ হাজার ৬৭০ হেক্টর, মেহেরপুর জেলায় সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর ও কুষ্টিয়া জেলায় ৬ হাজার ৮৮৭ হেক্টরে শীতকালীন শাকসবজির চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ১২ লাখ ৮৮ হাজার ২৩১ টন। ইতিমধ্যে ৬ জেলায় ২১ হাজার ৮০০ হেক্টরে শীতকালীন সবজির চাষ হয়েছে। মাস দেড়েক আগে আগাম চাষ করা সবজি উঠতে শুরু করেছে। প্রথম উঠা ফুলকপি প্রতি কেজি ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। আর বাঁধাকপি বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকা দরে। দেশের অন্যতম প্রধান সবজির হাট যশোরের বারিনগরে প্রচুর সবজি উঠছে। যশোর সদর উপজেলার চাষি ইজাজুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার এ হাটে পাইকারি প্রতি কেজি ফুলকপি ৩৫-৪০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতি কেজি ১৫-১৮ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা, শিম ৭৫-৮০ টাকা, মুলা ১৫-২০ টাকা, বরবটি ২০-২৫ টাকা ও পালং শাক ১৫-১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের চাষি জিয়াউর রহমান জানান, তাদের এলাকায় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় একদফা ফুলকপির ক্ষতি হয়েছে। সে ক্ষতি কাটিয়ে উঠেছে চাষিরা। বর্তামানে পাইকারি বাজারে ফুল কপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ও বাঁধাকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ভেদে সব ধরনের সবজির দাম কেজি প্রতি ৫-৭ টাকা পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহেদুল আমিন বলেন, এবার শীতকালীন সবজির অবস্থা ভাল। কয়েক দিন পর বাজারে আমদানি বাড়লে দাম কমবে বলে তিনি জানান।