দশমিনায় প্রাথমিকে ঝরে পড়ার তালিকায় তিন হাজার শিশু চূড়ান্ত যাচাইয়ের কাজ চলছে

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের কাছে একটি তালিকা যাচাই বাছাইয়ের জন্য পাঠিয়েছে। এটা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলমান আছে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা সঠিক তথ্য বলতে পারছি না

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

 

দশমিনা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় তিন হাজার কোমলমতি শিশুর নাম ঝরে পড়ার তালিকায় এসেছে। আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম (পিইডিপি-৪) সাব কম্পোনেন্ট ২.৫ এর আওতায় একটি বেসরকারি সংস্থা পিডিওর জরিপ করে উপজেলার ৭৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ সকল ঝরে পড়া শিশুর তথ্য সংগ্রহ করেছে।

জানা যায়, দশমিনা উপজেলায় ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ১৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০২১ সালে  মোট ১৯ হাজার ৯৬০ জন ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। এ সকল কমোলমতি শিশুদের বিদ্যালয়ে শতভাগ উপস্থিতি ও শিশুর পুষ্টিমান ধরে রাখার জন্য সরকার থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুল ফিডিং ব্যবস্থা ও শতভাগ উপবৃত্তি প্রদান অব্যাহত রয়েছে। করোনা মহামারির কারণে এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ে শিশু উপস্থিতি ছিলনা। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর সাব- কম্পোনেন্ট ২.৫ এর আওতায় আউট অব স্কুল চিলড্রেন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি বেসরকারি সংস্থা পিডিও (পীস এন্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন) বিদ্যালয় বহির্ভূত ৮ থেকে ১৪ বছরের শিশু জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করে। ঐ জরিপে দশমিনা উপজেলায় ৭৪টি বিদ্যালয়ে প্রায় ৩ হাজার শিশু ঝরে পড়ার তথ্য উঠে এসেছে। পিডিও ঐ জরিপের তথ্য প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রেরণ করে। প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধিকতর যাচাই বাছাইয়ের জন্য উপজেলায় হার্ড কপি পাঠায়। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা যাচাই বাছাইয়ের জন্য ৭৪টি স্কুল ওয়ারী প্রধান শিক্ষক ও স্ব স্ব ক্লাষ্টার প্রধানের (এটিও) মাধ্যমে তালিকা ধরে ঝরে পড়া শিশুর খোঁজ খবর নেয়া শুরু করে।

এ বিষয় পিডিও নির্বাহী পরিচালক মো. মুনসুর শাহজাহান ইত্তেফাককে বলেন, আমরা শিক্ষা অফিসে চিঠি দিয়ে মাঠ পর্যায়ে জরিপের মাধ্যমে ঝরে পড়া শিশুদের তালিকা করেছি। কাজ সম্পন্ন করে তালিকা পাঠিয়েছি। এখন শিক্ষা অফিস জরিপের কাজ করছে।

এ বিষয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের কাছে একটি তালিকা যাচাই বাছাইয়ের জন্য পাঠিয়েছে। এটা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলমান আছে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা সঠিক তথ্য বলতে পারছি না।