ডিএসই-সিএসইতে সূচকের ধারাবাহিক উত্থানের রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস গতকাল বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরুতে শেয়ারবাজারে মূল্য সূচকে বড় পতন দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত বড় উত্থান হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্য সূচকের বড় উত্থানের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এর মাধ্যমে চলতি সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হলো।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৭টির। আর ২২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এরপরও ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬২ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে উঠে এসেছে। মূল্য সূচকের ভুল গণনা বন্ধ করতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন সূচক ডিএসইএক্স চালু করে ডিএসই। চার হাজার ৫৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হওয়া সূচকটি এই প্রথম ৭ হাজার ২০০ পয়েন্টের মাইলফলক স্পর্শ করলো।

অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৬৪৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫৯২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ দু’টি সূচকও এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে অবস্থান করছে।

সবকটি মূল্য সূচকের বড় উত্থানের পাশাপাশি ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৯৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ২ হাজার ৫৫৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১৪১ কোটি ৬ লাখ টাকা।
টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার। কোম্পানিটির ৮১ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেক্সিমকো ফার্মার ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৬৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, বিবিএস কেবলস, সাইফ পাওয়ার টেক, ন্যাশনাল টিউবস এবং অলেম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৫২ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৯৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৩২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪৪টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৭টির এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।