সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল,
২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ,
সোমবার, দুপুর ২:৫৯
বাড়ি গ্রামবাংলা জোড়া লাগা জমজ শিশুর জন্ম পটুয়াখালীতে

জোড়া লাগা জমজ শিশুর জন্ম পটুয়াখালীতে

নিজস্ব প্রতিনিধি
ছবি: সমকাল

পটুয়াখালীতে জোড়া লাগা জমজ শিশুর জন্ম দিয়েছে এক নারী। তার নাম রেখা বেগম ।. রোববার দুপুরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ জোড়া লাগা শিশুর জন্ম দেন তিনি। অপারেশনের মাধ্যমে এই নবজাতকদ্বয়ের জন্ম হয়। বর্তমানে ওই জমজ শিশু হাসপাতালের স্পেশাল নবজাতক পরিচর্যা বিভাগে (স্ক্যানু) এবং তাদের মা গাইনী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া লাগা জমজ নবজাতক শংকামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে। তাদের দেখাশোনার জন্য সার্বক্ষণিক দু’জন নার্স রয়েছে।

রেখা বেগম সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের মো. বশির শিকদারের স্ত্রী।

ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নবজাতক দুটির হাত-পা ও হৃদপিণ্ড আলাদা। তাদের প্রসাবের রাস্তা একটি এবং পায়খানার কোনো রাস্তা নেই। যতক্ষণ পর্যন্ত শিশু দুটির পায়খানার রাস্তা পাওয়া না যাবে, ততক্ষণে এদের খাবার দেয়া যাবে না। এ জমজ নবজাতক দু’টিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে কিংবা ঢাকায় নেয়ার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জমজ শিশু দুটির বাবা বশির শিকদার বলেন, ‘আমাদের বিয়ে হয়েছে এক বছর হয়। এই আমাদের প্রথম সন্তান। অপারেশনের পর জানতে পারলাম আমাদের জোড়া লাগা জমজ সন্তান হয়েছে। এখন চিকিৎসকরা যেটা ভালো মনে করেন সেটাই করবো।’

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাকিয়া সুলতানা জানান, এই জমজ শিশু দুটির চিকিৎসা পটুয়াখালীতে সম্ভব নয়। তাই তাদের ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর আগে অন্তঃসত্ত্বা এই নারী চিকিৎসার জন্য আমার কাছে আসে। আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাচ্চার ত্রুটি দেখতে পাই। শতভাগ নিশ্চিতের জন্য বরিশালে পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানা যায় পেটে বেড়ে ওঠা নবজাতক জোড়া লাগা। ২৫ ফেব্রুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়।