গঙ্গাচড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

গঙ্গাচড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে ভেঙ্গে পড়েছে মজিতনের বসত ঘর

গঙ্গাচড়া(রংপুর) প্রতিনিধি

গত বুধবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ভুট্টা ক্ষেতের ব্রাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছপালা ভেঙ্গে যাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টি হয়। এতে উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের গাউছিয়া বাজার, কোলকোন্দ ইউনিয়নের সাউদপাড়া, আলেকিসামত এলাকায় বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া তিস্তার চরাঞ্চলের উঠতি ফসল তামাক , ভুট্টা, সূর্যমুখী ফসলের ক্ষতি হয়েছে বেশি। সরেজমিনে গাউছিয়া বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ধিবা মজিতনের একটি ঘর ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে গেছে। নিদ্রাহীন রাত কেটেছে পরিবারের লোকজনের।
কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু বলেন, তার এলাকায় প্রায় ২’শ বাড়ি ভেঙ্গে গেছে। তাছাড়া তামাক ও ভুট্টার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান।

গঙ্গাচড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেছে টিনের ঘর

নোহালী ইউনিয়ন পরিষদেেচয়ারম্যান আবুল কারাম আজাদ টিটু বলেন, তার ইউনিয়নে ঘরবাড়ির তেমন ক্ষতি না হলেও চরাঞ্চলের তামাক ও ভুট্টার ক্ষতি হয়েছে অনেক। মর্নেয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলি আজাদ জানান, তার ইউনিয়নে ২০/২৫টি ঘরের ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য এলাকায় তারে গাছপালা ভেঙ্গে পড়ায় উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শরিফুর ইসলাম বলেন, ভুট্টার কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে সূর্যমুখীর ক্ষতিটা বেশি হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয সুত্রে জানা গেছে ,ঘরবাড়ির ক্ষতির হিসেব এখনো তারা পাননি।