করোনাভাইরাসে দেশে আরো ১১ জনের মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরো ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৭০ জন। এ নিয়ে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে মোট ৮ হাজার ৩৯৫ জনের মৃত্যু হলো।

দেশের কভিড পরিস্থিতি নিয়ে আজ বিকালে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ৭৪৩ জন কভিড রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৪৯৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৭টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৯টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৬৮টি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ২১৪টি ল্যাবে ১৫ হাজার ৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪০ লাখ ১৮ হাজার ২৬৮টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ক্রমেই মহামারী আকারে সংক্রমণ বিশ্বের প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ।

গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ওই মাসের শেষের দিক থেকে রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে চলে যায়। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সেটি ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে হার কমতে থাকে। নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা জানানো হয় গত ৮ মার্চ। তা সাড়ে ৪ লাখ পেরিয়ে যায় ২৪ নভেম্বর। এর মধ্যে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ।

এছাড়া প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ১২ ডিসেম্বর তা ৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। গত ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যু  যা এক দিনের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল।